Posts

Showing posts from August, 2025
 🔴🟢🟡দোয়া কবুলের শর্ত ১)পাচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করা ২)মিথ্যা কথা না বলা ৩)কারো গিবত না করা ৪)যিনা ,ব্যাভিচার,হারাম সম্পর্কের মত জঘন্য কাজ না করা ৫)হালাল খাদ্য খাওয়া ৬)সুদ ঘুষ খাওয়া হারাম  ৭)চক্ষু,অন্তর,হাত এবং লজ্জা স্থানের হেফাজত করা ৮)দান সদকা করা ৯)পর্দা করা ১০)বেশি বেশি  নফল ইবাদত করা ১১)দরুদ শরীফ ও ইস্তেগফার পাঠ করা আপনারা অনেকেই দিনরাত বিলাপ করছেন বিয়ে না হওয়া,সন্তান হচ্ছেনা,চাকরি হচ্ছেনা,অসুখ থেকে মুক্তি চাই,বাড়ি চাই,গাড়ি চাই অথবা রিজিকের সমস্যা অথবা পছন্দের মানুষকে বিয়ে করতে চাই বা স্বামীকে ফিরে পেতে চাই।কিন্তু আপনারা অনেকেই পাঁচ ওয়াক্ত নামাজই ঠিক টাকমতো পরেন না।আবার কমেন্টে বিলাপ করেন যে কতো চাইলাম....আল্লাহ তোমার আমার দোয়া কবুল করলেন না! আপনি ফরজ ই পালন করেননা নফল ইবাদত তো বাদই দিলাম।  আল্লাহ আপনাকে বিপদগ্রস্ত কেন করেন????কারণ তিনি আপনাকে তার নিকটবর্তী করতে চান।আল্লাহর নিকটবর্তী হওয়ার জন্য ফরজ নামাজ টা জরুরি তারপর নফল নামাজ এবং তাহাজ্জুদ। কেউ কেউ আবার তাহাজ্জুদ পরেন কিন্ত ফরজ নামাজ পরেননা।শুনুন আপনার প্রিয় জিনিস পেতে চাইলে আপনাকে আল্লাহর প্রিয...
 জেনে রাখা ভালো ৭০ টি কবিরা গুনাহ কি কি! ১. শিরক করা। ২. মানুষ হত্যা করা। ৩. জাদুটোনা করা। ৪. নামাজে অবহেলা করা। ৫. যাকাত না দেয়া। ৬. বিনা ওজরে রমজানের রোযা ভঙ্গ করা। ৭. সামর্থ থাকা সত্ত্বেও হজ্ব না করা। ৮. পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া। ৯. রক্ত সম্পর্কীয় আত্মীয়তা ছিন্ন করা। ১০. যিনা-ব্যভিচার করা। ১১. লাওয়াতাত বা সমকামিতা করা। ১২. সুদের আদান-প্রদান। ১৩. ইয়াতিমের মাল আত্মসাৎ করা এবং তাদের ওপর জুলুম করা। ১৪. আল্লাহ ও রাসূলের প্রতি মিথ্যারোপ করা। ১৫. ধর্মযুদ্ধের ময়দান থেকে পলায়ন। ১৬. শাসক কর্তৃক জনগণের ওপর জুলুম। ১৭. গর্ব-অহংকার। ১৮. মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়া। ১৯. মদ্যপান। ২০. জুয়া খেলা। ২১. সতী-সাধ্বী নারীকে ব্যভিচারের অপবাদ দেয়া। ২২. গনীমতের মাল আত্মসাৎ করা। ২৩. চুরি করা। ২৪. ডাকাতি করা। ২৫. মিথ্যা শপথ করা ও আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নামে শপথ করা। ২৬. জুলুম বা অত্যাচার করা। ২৭. জোর পূর্বক চাঁদা আদায় করা। ২৮. হারাম খাওয়া ও যেকোন হারাম পন্থায় সম্পদ উপার্জন ও ভোগদখল করা। ২৯. আত্মহত্যা করা। ৩০. কথায় কথায় মিথ্যা বলা। ৩১. বিচারকার্যে দুর্নীতির আশ্রয় নেয়া। ৩২. ঘুষ খাওয়া। ৩৩. পোশাক-পরিচ্ছদে নারী-পুরুষের সাদ...
 জিহ্বা দিয়ে যে ১৯টি পাপ সংঘটিত হয়!!  ১) কারও নাম খারাপ করে ডাকা/নাম ব্যঙ্গ করা। ২) খারাপ ঠাট্টা বা বিদ্রূপ করা। ৩) অশ্লীল ও খারাপ কথা বলা। ৪) কাউকে গালি দেয়া। ৫) কারও নিন্দা করা। ৬) অপবাদ দেয়া। ৭) চোগলখুরী করা। ৮) বিনা প্রয়োজনে গোপনীয়তা ফাঁস করে দেয়া। ৯) মোনাফিকী করা ও দুই মুখে (দ্বিমুখী) কথা বলা। ১০) বেহুদা ও অতিরিক্ত কথা বলা। ১১) বাতিল ও হারাম জিনিস নিয়ে আলোচনা করে আনন্দ লাভ করা। ১২) কারও গীবত করা। ১৩) খারাপ উপনামে ডাকা। ১৪) কাউকে অভিশাপ দেয়া। ১৫) কাউকে সামনা-সামনি বা সম্মুখে প্রশংসা করা। ১৬)  মিথ্যা স্বপ্ন বলা। ১৭) অনর্থক চিৎকার বা চেঁচামিচি করা। ১৮) জিহ্বা দিয়ে হারাম বস্তুর স্বাদ নেয়া, গ্রহণ করা বা খাওয়া। ১৯) জিহ্বা দিয়ে খারাপ অর্থে কাউকে কোন ভঙ্গি করা বা দেখানো। নিম্নোক্ত হাদিসটি আমাদের সবসময় সামনে রাখা উচিত : সাহাল ইবনে সায়াদ (রা.) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রসুলুল্লাহ্ (স:) বলেছেন, 'যে ব্যক্তি দুই চোয়ালের মধ্যবর্তী অঙ্গ (জিহ্বা) এবং দুই  উরুর মধ্যবর্তী অঙ্গ (লজ্জাস্থান) হেফাজতের নিশ্চয়তা দেবে, আমি তার জন্য জান্নাতের নিশ্চয়তা দেব।' (বুখারী : ৬৪৭৪)  ম...
 নারীদের অধিকাংশ ০২ কারণে জাহান্নামী- ১/ তোমরা অভিশাপ বেশি কর এবং নিজ স্বামীর অকৃতজ্ঞতা কর। ২/ বুদ্ধি ও ধর্মে অপূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও বিচক্ষণ ব্যক্তির উপর তোমাদের চাইতে আর কাউকে বেশি প্রভাব খাটাতে দেখিনি।  ’বুদ্ধি ও ধর্মের ক্ষেত্রে অপূর্ণতা কী?’  তিনি বললেন,  ’’দু’জন নারীর সাক্ষ্য একজন পুরুষের সাক্ষ্য সমতুল্য।  আর (প্রসবোত্তর খুন ও মাসিক আসার) দিনগুলিতে মহিলা নামায পড়া বন্ধ রাখে। হাদিস নাম্বারঃ মুসলিম ২৫০, বুখারী ২০৪
 জান্নাতি মৃত্যুর ১২টি আলামত.... 👇 ১. মৃত্যুর সময় কালেমা পাঠ করতে পারা।  (সহীহ আবু দাউস-২৬৭৩) ২. মৃত্যুর সময় কপালে ঘাম বের হওয়া। (তিরমিজি -৯৮০) ৩. জুমার রাতে বা দিনে মৃত্যু বরণ করা।  (তিরমিজি-১০৭৪) ৪. আল্লাহর রাস্তায় যু'দ্ধ'রত অবস্থায় মৃত্যু বরণ করা।  (সহিহ মুসলিম-১৯১৫) ৫.প্লেগ রোগে মৃত্যু বরণ করা। (বুখারী-২৮৩০/ মুসলিম-১৯১৬) ৬.যে কোনো পেটের পীড়াতে মৃত্যু বরণ করা।  (সহিহ মুসলিম-১৯১৫) ৭. কোনো কিছু ধ্বসে পড়া বা পানিতে ডুবে মৃত্যুবরণ করা।  (সহিহ বুখারী-২৮২৯) ৮.গর্ভবতী নারীর মৃত্যু বরণ করা। (আবু দাউদ-৩১১১) ৯. আগুনে পুড়ে বা যক্ষা রোগে মৃত্যু।  (সহিহ তারগিব ওয়াত তারহীব-১৩৯৬) ১০. আল্লাহর দ্বীন, সম্পদ ও জীবন রক্ষা করতে গিয়ে মৃত্যু।  (তিরমিজ ১৪২১/মুসলিম-১৪১) ১১.আল্লাহর রাস্তায় প্রহরীর দায়ীত্ব পালন করতে গিয়ে মৃত্যু। ১২. নেক আমল রত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করা।  হে আল্লাহ!   আমাদেরকে শ'হী'দি মৃত্যু দান করুন আমিন
 - ফেইসবুকে কিছু কিছু পোস্ট দেখলে আসলেই খারাপ লাগে..... আস্তাগফিরুল্লাহ !!! পোস্টের ধরনঃ ১:- Just- সালাম দিন, রিপ্লাই আসলে  আপনি ভাগ্যবান- ইনশাআল্লাহ্! ২:- আমি পর্দা করি আলহামদুলিল্লাহ ইউ.. ৩:- আজকে কে কে ফজরের নামাজ পড়েছো তাদের চাঁদ মুখ খানা দেখতে চাই। ৪:- ১ ঘন্টায় 1k আল্লাহর পাগল দেখতে চাই। ৫:- কথা দিলাম আল্লাহ নামটি লিখবো। ৬:-   মহানবী (সাঃ) কে ভালোবাসলে একবার তার নামটা লিখে যান। ৭:- যে এই পোস্টটা পড়ছেন একবার হইলেও আল্লাহ নামটা লিখে যান। ৮:- কে কে নামাজ পড়ছো কোরআন পরছো হাত তুলো।  ৯:- ফাস্ট তারাবী ডান,, ফাস্ট ইফতার ডান, ফাস্ট সেহরি ডান। ১০:- কেউ আমীন না লিখে যাবেন না!  ১১:- যেকোনো পোস্টে আবার এটাও লিখে , কালিমার দাওয়াত দিয়ে গেলাম !  ১২:-যারা ইসলাম ধর্ম পেয়ে খুশি,, শুধুমাত্র তারাই বলি আল-হামদুলিল্লাহ আস্তাগফিরুল্লাহ!! আস্তাগফিরুল্লাহ!! আস্তাগফিরুল্লাহ!!  দ্বীনি ভাই/বোন এটা আমাদের চরম মূর্খতার পরিচয়! ইসলাম জোর করে কাউকে দিয়ে কিছু করানো শেখায়নি,। কেন আপনারা কি পাবলিককে দেখানোর  জন্য আল্লাহর ইবাদত করেন?? আর যারা কমেন্ট না করে তারা কি জীবনে ...

islam

 আপনার মেয়েকে/বোনকে অবশ্যই শেখাবেন:🥀💝 ১- মাটি থেকে কখনও কোনো কিছু উঠাতে গেলে অবশ্যই বুকের উপর এক হাত দিয়ে তারপর উঠাতে যাবে। সতর ঢাকার সতর্কতা স্বরুপ এটা করা উচিত। ২- পুরুষ মানুষের সামনে কখনও পায়ের উপর পা তুলে বসবে না, দুই পা'কে মিলিয়ে বা খুব কাছাকাছি রেখে বসবে। ৩- সিঁড়িতে উপরের দিকে উঠার সময় যদি পেছনে কোনো পুরুষ মানুষ থাকে, তাহলে এক কোনায় গিয়ে কিছুক্ষণ স্থির হয়ে দাঁড়াবে, পুরুষ লোকটি চলে গেলে তারপর উঠবে। ৪- লিপ্টে ওঠার সময় যদি অপরিচিত পুরুষ মানুষ থাকে এবং মাত্র একজনই থাকে, তাহলে তার সাথে ওঠবে না, অপেক্ষা করবে, সেই অপরিচিত লোকটি বের হলে তারপর উঠবে। ৫- সবসময় মুচকি হাসার অভ্যাস করবে, উঁচু আওয়াজে অট্টহাসি হাসবে না। ৬- তোমার চাচাতো ভাই, খালাতো ভাই বা ফুফাতো ভাইদের সাথে মুসাফাহা করবে না, যদিও তোমার কাছে তাদের ছোট মনে হয়। ৭- কোনো প্রয়োজনে পুরুষ মানুষের সাথে কথা বলতে হলে, অবশ্যই শারীরিকভাবে যথেষ্ট পরিমাণ দূরত্ব বজায় রেখে কথা বলবে। ৮- নিকটাত্মীয় হলেও কাজকর্মে বা কথা বার্তায় অবশ্যই একটা সীমারেখা বজায় রাখবে। নিজের ভাবগাম্ভীর্য এমনভাবে বজায় রাখবে, যেন তোমার প্রতি তার ভিতরে...

Deen

 ⭕যে চারটি কাজ করলে আপনার জীবন বদলে যাবে ইনশাআল্লাহ অথবা জীবনে যে চারটি কাজ কখনো ত্যাগ করা যাবেনা। ১. কখনো আল্লাহর শুকরিয়া আদায় থেকে নিজেকে বিরত রাখবেন না; তাহলে তিঁনি আর বাড়িয়ে দিবেন না। যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করো; তাহলে বাড়িয়ে দিবো (সূরা ইবরাহিম:০৭) ২. কখনো আল্লাহর স্মরণ থেকে নিজেকে বিরত রাখবেন না; তাহলে তিঁনি আপনাকে আর স্মরণ করবেন না। আমাকে স্মরণ করো; আমিও তোমাদের স্মরণ করবো। (সূরা বাকারা:১৫২) ৩. কখনো দুয়া করা থেকে নিজেকে বিরত রাখবেন না; তাহলে তিঁনি বিপদে আর আপনার সাড়া দিবেন না। আমার কাছে দুয়া করো; আমি সাড়া দিবো। (সুরা গাফির:৬০) ৪. কখনো ক্ষমা চাওয়া থেকে নিজেকে বিরত রাখবেন না; তাহলে তিঁনি আর নাজাত/মুক্তি দিবেন না। আল্লাহর কাছে ক্ষমাপ্রার্থীদের তিঁনি আযাব দেন না অর্থাৎ মুক্তি দেন। (সুরা আনফাল ৩৩) ⭕ আল্লাহ পাক আমাদেরকে সবাইকে আমল করার তৌফিক দান করুন আমিন ইয়া রব।
 ছোট্ট একটি আমলে আমাদের গুনাহ মাফ এবং মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে সুবহানাল্লাহ্ 💚  অযুর আগে সুন্দর নিয়্যাত করে নেয়া যায়। আল্লাহ তাআ’লা এই অযুর উসিলায় যেন আমাকে মাফ করে দেন, উনার কাছে আমার মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেন।  রসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, “আমি কি তোমাদের জানাবো না? কিসে তোমাদের পাপ মোচন করবে এবং মর্যাদা বৃদ্ধি করবে? সাহাবায়ে কেরাম বললেন, অবশ্যই! হে আল্লাহর রসুল (সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তিনি বললেন, “শীতের কষ্ট সত্ত্বেও ঠিকভাবে অযু করা।” (মুসলিম : ২৫১) অযু তো করাই হয়। জাস্ট বাড়তি দুইটা নিয়্যাত এড করে নেয়া। সুবহানআল্লাহ! কি সহজে কত বড় বড় ফদল দেন আমার রব্ব!
 ★★দৈনন্দিন জীবনে সুন্নাতি বাহার অনুসরণ করুন ★★ ⏩(১) কোনো কিছু শুরু করার পূর্বে.....(বিসমিল্লাহ্) ⏩(২) কোনো কিছু করার উদ্দেশ্য‌ হলে..... (ইংশাআল্লাহ্) ⏩(৩) কোনো বিস্ময়কর বিষয় দেখলে..... (সুবহানাল্লাহ্) ⏩(৪) কষ্ট ও যন্ত্রনার সময়.....(ইয়া আল্লাহ্) ⏩(৫) প্রশংসার বহিঃপ্রকাশ.....(মাশাআল্লাহ্) ⏩(৬) ধন্যবাদ জ্ঞাপনে.....(যা-জাকাল্লাহ্) ⏩(৭) ঘুম থেকে জাগ্রত হবার পর.....(লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্) ⏩(৮) শপথ নেয়ার সময়.....(ওয়াল্লাহি বিল্লাহ্) ⏩(৯) হাঁচি দেয়ার সময়.....(আলহামদুলিল্লাহ্) ⏩(১০) অন্য কেউ হাঁচি দিলে.....(ইয়ারহামুকাল্লাহ্) ⏩(১১) জিজ্ঞাসার জবাবে.....(আলহামদুলিল্লাহ্) ⏩(১২) পাপের অনুশোচনায়....(আসতাঘফিরুল্লাহ্) ⏩(১৩) পরোপকার করার সময়.....(ফি-সাবিলিল্লাহ্) ⏩(১৪) কাউকে ভালোবাসলে.....(লি-হুব্বিল্লাহ্) ⏩(১৫) বিদায়ের সময়.....(ফি-আমানিল্লাহ্) ⏩(১৬) সমস্যা দেখা দিলে..... (তাওয়াক্কালতু আলাল্লাহ্) ⏩(১৭) অপ্রীতিকর কিছু দেখলে.....(নাওযুবিল্লাহ্) ⏩(১৮) আনন্দদায়ক কিছু দেখলে (ফাতাবারাকাল্লাহ্) ⏩(১৯) প্রার্থনায় অংশগ্রহণ শেষে.....(আমিন) ⏩(২০) মৃত্যু সংবাদ শুনলে..... (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্ন...
 ছয়টা জিনিস আল্লাহর কাছে চেয়ে নিবেন।  ১. শারীরিক সুস্থতা  ২. হালাল রিজিক  ৩. নিরাপদ বাসস্থান  ৪. নেককার স্বামী স্ত্রী  ৫. নেককার সন্তান  ৬. ঈমানের সাথে মৃত্যু
 পুরুষদের ধ্বংসের ৮টি কারণ : ১. নেশায় আসক্তি (সিগারেট, মদ, জুয়া ইত্যাদি)  "তোমরা নিজেদের হত্যা কর না" - (সুরাঃ-নিসা ২৯) ২. কাচা হলুদ ও লাল রঙের কাপড় পরিধান করা - (মুসলিমঃ ২০৭৭) ৩. পুরুষ হয়েও গোল্ড ব্যবহার করা - (ইবনে মাজাহঃ ৩৫৯৫, আবু দাউদঃ ৪০৫৭) ৪. যেসব পুরুষ নারীদের সাজগোজ অনুকরণ করে। নাক-কান ফোড়ানো অর্থাৎ, মহিলাদের চালচলন অনুকরণ করা পুরুষদের জন্য রাসূল (সঃ) এর অভিশাপ - (আবু দাউদঃ ৪০৯৭, ইবনে মাজাহঃ ১৯০৪) ৫. সিল্কের পোশাক বা রেশম পোশাক পরিধান করা - (নাসাঈঃ ৫১৪৪) ৬. পুরুষের টাকনুর নিচে প্যান্ট পরা হারাম এবং রাসূল (সঃ) বলেছেন, এটা জাহান্নামি পুরুষের লক্ষণ - (আবু দাউদঃ ৩১৪০) ৭. ইচ্ছাকৃত ভাবে জামায়াতে সালাত আদায় না করা এবং ফরজ সালাত আদায়ে অলসতা। কেননা, "যে ইচ্ছাকৃতভাবে সালাত ছেড়ে দিলো সে কুফরি করলো" - (মুসলিমঃ ৮২, তিরমিজিঃ ২৬১৯) ৮. দৃষ্টি সংযত না রাখতে পারা (গান বাজনা শোনা, মিউজিক এর সাথে লিপ্ত থাকা) "নিশ্চয়ই কান, চোখ ও অন্তকরন এদের প্রত্যেকটির হিসাব দিতে হবে" - (সূরা বনী ইসরাঈলঃ ৩৬) আল্লাহ আপনি আমার বাবা ভাইদের এবং পুরুষ সবাইকে হেদায়েত দান করুন আমিন।
 ★আস- সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহি ওয়া বারকাতুহ্★ 😊আমি ইসলামের দাওয়াত দিতে চাই, ভাই ও বোনের প্রতি। ইসলামের কিছু বিষয়ে * ১। সুরা ইখলাস ২০০বার পড়লে ৬৬বা কুরআন খতম  সওয়াব পাওয়া যাবে।আরো ৫০ বছরের গুনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।  ২| সুবহাআল্লাহ  প্রতিদিন ১০০ বার সুবহান আল্লাহ্ পাঠ করলে ১০০০ সাওয়াব লিখা হয় এবং ১০০০ গুনাহ মাফ করা হয়।[সহীহ মুসলিম-৪/২০৭৩] ৩।আলহামদুলিল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ’মীযানের পাল্লাকে ভারী করে দেয় এবং সর্বোত্তম দোআ’। ৪। লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ সর্বোত্তম যিকর ৫। সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী যে ব্যক্তি ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী’ প্রতিদিন ১০০ বার পাঠ করবে সমুদ্রের ফেনা পরিমান (সগীরা) গুনাহ থাকলে ও তাকে মাফ করে দেওয়া হবে।

দ্বীনের কথা

Image
 ⚠️🚫 সালাম দেওয়াতে এখনও সতর্ক হন!🚫⚠️ 1️⃣স্লামালাইকুম ❌ অর্থ :- উটের নাড়িভুঁড়ি আপনার জন্য (আস্তাগফিরুল্লহ ) 2️⃣আসসালামালাইকুম ❌ অর্থ :- আপনার মৃত্যু হোক ( আস্তাগফিরুল্লহ ) 3️⃣স্লামালিকুম ❌ অর্থ :-আপনার উপর গজব হোক (আস্তাগফিরুল্লহ ) 4️⃣সেলামালাইকুম / আসলা মালিকুম  ❌ → যার অর্থ শান্তির পরিবর্তে গজব, অশান্তি কিংবা শাস্তি কামনা করা হয় । ◉আবার উত্তর দেয়ার সময়ও শোনা যায় ভুল শব্দের ব্যবহার, →অলাইকুম সালাম ❌ →অলাইকুম আস-সালাম ❌  →আলিকুম সালাম ❌ ➜যার উত্তরেও গজব ,অশান্তি কিংবা শাস্তি কামনা করা হয়  ▪️ নাঊজুবিল্লাহি মিন জালিক❗ আস্তাগফিরুল্লহ্ আ’জিম❗ সেজন্য কখনোই এভাবে সালাম দিবেন না। অর্থ পরিবর্তন হয়ে যায় । সঠিকভাবে সালাম দেওয়ার চেষ্টা করবেন। ▪️সালাম দেওয়ার সঠিক নিয়ম হলো✅ السَّـــــــلَامُ عَلَيْكُمْ وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ   উচ্চারণ:- আস-সালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লহি, ওয়া  বারকাতুহ্।  অর্থ:- আপনার উপর আল্লাহর শান্তি, রহমত এবং বরকত বর্ষিত হোক । ▪️সালামের জবাব দেওয়ার সঠিক নিয়ম وَعَلَيْكُمُ السَّلَام وَرَحْمَةُ اللهِ وَبَرَكَاتُهُ বাংলা উচ্চারণ:- ওয...